মঙ্গলবার, ১৬-জুলাই ২০১৯, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
  • আইসিটি
  • »
  • টেলিটক ছাড়া সবার সেবার মান ভালো

টেলিটক ছাড়া সবার সেবার মান ভালো

shershanews24.com

প্রকাশ : ২১ মে, ২০১৯ ০৯:৫১ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজ, ঢাকা: সেবার মান নিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নতুন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক। ২৭ থেকে ২৯ মার্চ ঢাকার মতিঝিল, কমলাপুর, খিলগাঁও, আদাবর, মোহাম্মদপুর ও উত্তরায় এ পরীক্ষা চালায় বিটিআরসি।

ফলাফলে বিটিআরসি বলেছে, উল্লিখিত দিনগুলোতে সব ক্ষেত্রে তিন অপারেটরের সেবার মান গ্রহণযোগ্য মাত্রায় ছিল। শুধু উত্তীর্ণ হয়নি টেলিটক। তাদের কলড্রপের হার ও কল সংযোগের সময় নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি।

বিটিআরসি গত ৬ নভেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় এক জরিপ চালিয়েছিল। ওই জরিপে কলড্রপ, কল সংযোগের সময় ও চতুর্থ প্রজন্ম বা ফোরজি ইন্টারনেট সেবার গতির দিক দিয়ে মান অনুযায়ী ছিল না গ্রামীণফোনের সেবা। এ ছাড়া রবি ফোর-জির গতি এবং বাংলালিংক ফোর-জির গতি ও কল সংযোগের সময়ের দিক দিয়ে পিছিয়ে ছিল।

নতুন পরীক্ষায় গ্রামীণফোনের কল সংযোগের গড় সময় পাওয়া গেছে ৫ দশমিক ২২ সেকেন্ড। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান সর্বোচ্চ ৭ সেকেন্ড। আগের পরীক্ষায় গ্রামীণফোনে কল সংযোগের গড় সময় পাওয়া গিয়েছিল ১০ সেকেন্ডের বেশি। এবারের পরীক্ষায় কল ড্রপের হার পাওয়া গেছে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান সর্বোচ্চ ২ শতাংশ। আগের পরীক্ষায় গ্রামীণফোনের কলড্রপের হার ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ পাওয়া গিয়েছিল।

নতুন পরীক্ষায় গ্রামীণফোনের ফোর-জির ডাউনলোড গতি পাওয়া গেছে ১০ এমবিপিএসের বেশি। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান সর্বনিম্ন ৭ এমবিপিএস। আগেরবার গতি পাওয়া গিয়েছিল ৫ দশমিক ৫৮ এমবিপিএস।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফোলি বলেন, সেবার মান বাড়াতে গ্রামীণফোন নিয়মিত বিনিয়োগ করছে।

রবি গতবার পিছিয়ে ছিল শুধু ফোর-জির গতিতে। এবার তাদের গতি পাওয়া গেছে ১০ দশমিক ৩২ এমবিপিএস, যা সবার চেয়ে বেশি। বাংলালিংকের ফোর-জির গতি পাওয়া গেছে ৬ দশমিক ৪৯ এমবিপিএস। গত পরীক্ষায় বাংলালিংকের গতি ছিল ৫ দশমিক ১৮ এমবিপিএস। বাংলালিংকে কল সংযোগের সময় ৬ দশমিক ০৩ সেকেন্ডে নেমেছে, যা গ্রহণযোগ্য মাত্রায় রয়েছে।

উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য রবি বিনিয়োগ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করে রবির হেড অব করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম বলেন, ঢাকায় পরিস্থিতি খুবই প্রতিকূল। টাওয়ারের জন্য জায়গা পাওয়া কঠিন। তারপরও সেবার মান আরও উন্নয়নের চেষ্টা চলছে।
শীর্ষকাগজ/এসএসআই