সোমবার, ১৯-আগস্ট ২০১৯, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
  • শিক্ষা
  • »
  • রাবিতে মদপানে মারা যাওয়া ২ শিক্ষার্থী ছাত্রফ্রন্টের কর্মী ছিলেন!

রাবিতে মদপানে মারা যাওয়া ২ শিক্ষার্থী ছাত্রফ্রন্টের কর্মী ছিলেন!

shershanews24.com

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল, ২০১৯ ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন

শীর্ষকাগজ, রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে রোববার ক্যাম্পাসে দিনভর ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নয় এ আলোচনা দেশের অন্যান্য পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রের এভাবে চলে যাওয়া যেন মানতে পারছেন না কেউ। যদিও মদপানে ওই দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে তবুও এভাবে দুর্ঘটনা ঘটে যাবে কারো কল্পনাতেও ছিল না। ওই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
রোববার সন্ধ্যায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
জানা গেছে, রোববার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাবির দুই ছাত্র। একই ঘটনায় রুয়েটের রাকিব হাসান চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বেঁচে গেছেন অল্পের জন্য। নিহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইন বিভাগের মুহতাসিম খুলনার দৌলতপুরে উপজেলার কবির আলম ছেলে। অর্থনীতি বিভাগের তূর্য রায় নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার ছোট রাউতরা গ্রামের পুর্নেন্দ্র রায়ের ছেলে। তারা দু’জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী। তারা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে। ছাত্রদের দাবি আদায়ের নানা আন্দোলনে তাদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তাদের এভাবে মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের অনেকেই বিব্রতবোধ করছেন। যদিও তারা এবিষয়ে কোন মুখ খুলছেন না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রফ্রন্টের এক কর্মী জানান, শনিবার ওই ছাত্ররা একসঙ্গে মদ খাওয়ার পর ছাত্রফ্রন্টের এক নেতাকে ফোন করে জানান তারা অসুস্থ বোধ করছেন। পরে তাদের মেসে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হলে কিছুটা সুস্থবোধ করেন তারা। পরে গভীর রাতে তারা আবারও অসুস্থবোধ করেন। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলে ভোরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভোরে একজন মারা যান। অন্যজন মারা যান সকাল ৮ টার দিকে। একই ঘটনায় অসুস্থ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাকিব হাসান সুস্থ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে ওই ঘটনায় আটকরা হলেন, ইফতেখায়ের হোসেন ওরফে সুমন (৩৭)। তিনি রাজপাড়া থানার সিপাইপাড়া এলকার আব্দুর রওফের ছেলে, মো. লুৎফর রহমান (৩৮) কাশিয়াডাঙ্গা কোট বরসি এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে, জনি শেখ ওরফে শুভ (২৪) বোয়ালিয়া বড়কুঠি এলকার বাচ্চু শেখের ছেলে। এর আগে নগরীর জিরোপয়েন্টে এলাকার স্টার মেডিকেল হল ওষুধের দোকানের মালিকসহ আরও দুই কর্মচারীকে আটক করা হয়েছিল। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শীর্ষকাগজ/এম